হোমিওপ্যাথি ঔষধ দোকানদার এম এ আলীর মাদক ব্যবসায়ীর হাতে বানানো ল্যাক মদ সেবনে অনেকর মুত্যু
প্রতিবেদক:নাহিদা লকী(নিজস্ব প্রতিনিধি)খুলনা:
খুলনা খালিশপুর থানা বয়রা বৈকালি ল্যাংটা চাচার মাজার রোড় হোমওপ্যাথি ঔষধের দোকানদার ডাঃ এম এ আলীর হোমিও ওষুধের পাশাপাশি মদ ও মাদকের ব্যাবসা চালিয়ে আসছে অনেক বছরধরে। ডঃ আলীর ছেলে মেয়ে ও মেয়ের জামাই তার এ ওষুধের দোকানে বসে এবং পরিবারের সকলের চালেই মাদক ব্যবসা কিছু দিন আগে ডঃ আলীর ছোট মেয়ের সামির সাথে তালাক হওয়ার পর বৈকালী আলীর ওষুধের দোকানের পাসে একটি হোমিওপ্যাথি ওষুধের দোকান দিয়ে দেয় আলী সেই দোকানে নামে হুমপতি ওষুধের দোকান কিন্তু চলে তাদের মাদক ব্যবসা এতে এলাকাবাসীরা জানতে পেয়ে পুলিশকে দিয়ে হাতেনাতে মাদক ব্যবসায়ী আলীর ছোট মেয়েকে ধরিয়ে দেয়। পরে সে যাবিনে বের হয়ে আসে কিন্তু তাদের মাদক ব্যবসা বন্ধ হয়না। এভাবে অনেক গুলি দোকান তারা নিয়ে ওষুধের দোকানের আড়ালে চলে আলী ও আলীর পরিবারের সবাই খুব বিলাসিতায়। ১৯/৭/২৫ তারিকে শনিবার ডঃ আলীর কাছ থেকে কিছু লোকজন মদ এ্যলকহল কিনে খেয়ে মারা যায় । প্রায় ১৪ জন খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে ও একজন লাইফ সাপোর্টে । আলীর দোকান থেকে মদ নিয়ে খায়ে মুত্যু হয় ৫ জনের,সোনাডাঙ্গা মডেল থানা বয়রা পুজাখোলা ইসলামী কলেজের মোরে ঘটনাটি ঘটে,গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনাডাঙ্গা মডেল থানার অপারেশন অফিসার এস আই আব্দুল হাই,এবং পরবর্তীতে জানা যায় আরো কয়েকজনেরমুত্যু হয় এই মদ পান করে । খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে মোট ১৪ জন, এসব ঘটনা পোসাসোন এবং গনমাধ্যম কর্মিরা জানতে পরে আসে বৈকালি ল্যাংটা চাচার মাজারের এখানে যেখানে আলীর ওষুধের দোকান আলী বা আলীর পরিবারের কাউকে পায়নাই এবং তার দোকান ফার্মেসি তালা মারা এবং ঐ এলাকার সাধারণ মানুষ ক্ষিপ্ত হয় ডঃ আলী এবং তার মাদক পরিবারের উপর আলী এবং আলীর পরিবারের সাজা দাবিতে,পোসাসোন এবং গনমাধ্যম কর্মিরা এলাকা বাসি থেকে আলীর দোকানের তালা ভেঙে পায় সেই এ্যলকহল মদের বোতোল প্রশাসন সেই মদের বোতল নিয়ে পরিক্ষা করে দেখে এটা সেই এ্যলকহল মদ। তখন আলীর বাড়ী গিয়ে আলীকে গ্রেফতার করে পুলিশ এবং আলীর ছেলে মেয়ে জামাই তাদের পায়নি যারা এ মাদক ব্যবসায় জড়িত , মূত ব্যক্তিগন হলেন বয়রা সেরের মোর বৈকালি ডুমোরিয়ার বাসিন্দা।