১০:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
জরুরি সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচনের দাবী, কুমিল্লায় সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিলে ডা. তাহেরের।

জরুরি সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচনের দাবী, কুমিল্লায় সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিলে ডা. তাহের।

জরুরি সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচনের দাবী, কুমিল্লায় সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিলে ডা. তাহের

এইচ এম গোলাম কিবরিয়া রাকিব।

 

সব জরুরি সংস্কার শেষেই দ্রুত নির্বাচনের দাবী জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন তিনি ডিসেম্বরে নির্বাচন দেবেন। আমরা আশা করি, উনার বক্তব্যকে প্লাস-মাইনাস করে বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দেবেন।
মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) স্বনামধন্য একটি অডিটোরিয়ামে মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে কুমিল্লায় কর্মরত সকল প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স সাংবাদিকদের নিয়ে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, আমরা আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবি জানিয়েছি; এরপর জাতীয় নির্বাচন।
ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে মানুষ চাকুরীর কাগজপত্রের জন্য ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। এ জন্য আমরা স্থানীয় নির্বাচন চেয়েছি। অনেকেই জন্ম সনদ, মৃত্যু সনদ, চারিত্রিক সনদপত্র পাচ্ছে না।
নির্বাচন বিলম্বিত করার টালবাহানা জনগণ মেনে নেবে না।

তিনি বলেন, স্থানীয় নির্বাচন নন-পলিটিক্যাল নির্বাচন হতে হবে, এটা কোনো দলের নির্বাচন নয়।
এরপর সব রাজনৈতিক দলের নেতারা বসে আলোচনা করা উচিত, তারপর আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে একটি সমাধানে পৌঁছে জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।
ডা. তাহের আরো বলেন ‘আমাদের রাজনীতি হওয়া উচিত ছিল একটি জবাবদিহিমূলক ঐক্যের রাজনীতি। দলীয় স্বার্থ এবং ক্ষমতায় যাওয়ার প্রতিযোগিতা নয়। এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন ঐক্যের।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, আমি জাতিসংঘের মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠকে বলেছি, আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য কয়েকটি বিষয়ে ইউনিটি অত্যন্ত জরুরি। প্রথমত বাংলাদেশে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য এখানে কোনো ভিন্নতা আসতে পারে না। দ্বিতীয়ত টেকসই গণতন্ত্র, এখানে দ্বিমত হওয়ার কোনো সুযোগ নাই। যদি আমরা দ্বিমত করি তাহলে শহীদদের সঙ্গে আমাদের বেঈমানি করা হবে। কারণ, এই লড়াইটা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছিল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মোহাম্মদ হোসাইন, শাহাদাত হোসাইন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির সভাপতি ইউসুফ ইসলাহী, মহানগর শিবির সেক্রেটারি নাজমুল হাসান জামায়াতের নেতাকর্মীরা।

তৃতীয়ত স্বচ্ছ নির্বাচন, এবং দুর্নীতি মুক্ত একটি বাংলাদেশ।
মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামারুজ্জামান সোহেলের উপস্থাপনায় আরো বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন, সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান।


  1. ↩︎



 








 

Tag :
About Author Information

শশীদল ইউনিয়নের নাগাইশ গ্রামের জাতীয়তাবাদীদল বিএনপি’র নেতা আটক;জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেয়

জরুরি সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচনের দাবী, কুমিল্লায় সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিলে ডা. তাহেরের।

জরুরি সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচনের দাবী, কুমিল্লায় সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিলে ডা. তাহের।

Update Time : ০৭:২২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫

জরুরি সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচনের দাবী, কুমিল্লায় সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিলে ডা. তাহের

এইচ এম গোলাম কিবরিয়া রাকিব।

 

সব জরুরি সংস্কার শেষেই দ্রুত নির্বাচনের দাবী জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন তিনি ডিসেম্বরে নির্বাচন দেবেন। আমরা আশা করি, উনার বক্তব্যকে প্লাস-মাইনাস করে বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দেবেন।
মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) স্বনামধন্য একটি অডিটোরিয়ামে মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে কুমিল্লায় কর্মরত সকল প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স সাংবাদিকদের নিয়ে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, আমরা আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবি জানিয়েছি; এরপর জাতীয় নির্বাচন।
ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে মানুষ চাকুরীর কাগজপত্রের জন্য ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। এ জন্য আমরা স্থানীয় নির্বাচন চেয়েছি। অনেকেই জন্ম সনদ, মৃত্যু সনদ, চারিত্রিক সনদপত্র পাচ্ছে না।
নির্বাচন বিলম্বিত করার টালবাহানা জনগণ মেনে নেবে না।

তিনি বলেন, স্থানীয় নির্বাচন নন-পলিটিক্যাল নির্বাচন হতে হবে, এটা কোনো দলের নির্বাচন নয়।
এরপর সব রাজনৈতিক দলের নেতারা বসে আলোচনা করা উচিত, তারপর আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে একটি সমাধানে পৌঁছে জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।
ডা. তাহের আরো বলেন ‘আমাদের রাজনীতি হওয়া উচিত ছিল একটি জবাবদিহিমূলক ঐক্যের রাজনীতি। দলীয় স্বার্থ এবং ক্ষমতায় যাওয়ার প্রতিযোগিতা নয়। এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন ঐক্যের।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, আমি জাতিসংঘের মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠকে বলেছি, আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য কয়েকটি বিষয়ে ইউনিটি অত্যন্ত জরুরি। প্রথমত বাংলাদেশে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য এখানে কোনো ভিন্নতা আসতে পারে না। দ্বিতীয়ত টেকসই গণতন্ত্র, এখানে দ্বিমত হওয়ার কোনো সুযোগ নাই। যদি আমরা দ্বিমত করি তাহলে শহীদদের সঙ্গে আমাদের বেঈমানি করা হবে। কারণ, এই লড়াইটা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছিল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মোহাম্মদ হোসাইন, শাহাদাত হোসাইন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির সভাপতি ইউসুফ ইসলাহী, মহানগর শিবির সেক্রেটারি নাজমুল হাসান জামায়াতের নেতাকর্মীরা।

তৃতীয়ত স্বচ্ছ নির্বাচন, এবং দুর্নীতি মুক্ত একটি বাংলাদেশ।
মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামারুজ্জামান সোহেলের উপস্থাপনায় আরো বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন, সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান।


  1. ↩︎